সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের মূল পয়েন্টগুলো:
- প্রশাসনের অতি-উৎসাহী ভূমিকা: তিনি অভিযোগ করেন, মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের একাংশ এখনো একটি বিশেষ মহলের হয়ে কাজ করছে। বিরোধী দলের প্রার্থীদের প্রচারণায় অদৃশ্য বাধা দেওয়া হচ্ছে।
- ভয়ভীতি প্রদর্শন: দেশের বিভিন্ন স্থানে বিরোধী নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এবং গ্রেপ্তার আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, "এমন ভীতিকর পরিবেশে সুষ্ঠু ভোট অসম্ভব।"
- ইসির প্রতি আহ্বান: সালাহউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে বলেন, "শুধুমাত্র মুখে আশ্বাসের বাণী দিলেই হবে না, বাস্তবে প্রমাণ করতে হবে যে কমিশন নিরপেক্ষ। সব প্রার্থীর জন্য সমান নিরাপত্তা ও প্রচারণার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।"
- ভোটারদের অধিকার: তিনি আরও যোগ করেন, যদি ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে না পারেন এবং ব্যালট বক্সের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তবে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কোনো সার্থকতা থাকবে না।
রাজনৈতিক গুরুত্ব:
দীর্ঘ প্রবাস জীবন ও আইনি লড়াই শেষে সালাহউদ্দিন আহমেদ দেশে ফিরে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর থেকেই নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে সোচ্চার রয়েছেন। তার এই কড়া বার্তা নির্বাচন কমিশনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকদের অভিমত:
সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের মতে, কেবল তফশিল ঘোষণা বা ব্যালট পেপার ছাপানোই নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। বরং নির্বাচনের আগ পর্যন্ত প্রতিটি প্রার্থীর নিরাপত্তা এবং সমান প্রচারণার অধিকার নিশ্চিত করাই হলো আসল চ্যালেঞ্জ। তারা মনে করেন, যদি কোনো দল বা প্রার্থী বিশেষ সুবিধা পায়, তবে নির্বাচনের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।